সের রেডিওর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যানচেস্টার সিটি রদ্রিকে দলের অবিসংবাদিত কেন্দ্র মনে করে এবং তাঁর চুক্তি নবায়নে সর্বশক্তি দেবে। বর্তমানে তাঁর সাপ্তাহিক বেতন প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড, যা দলের প্রধান খেলোয়াড়দের তুলনায় অনেক কম। নতুন চুক্তিতে এই ব্যবধান পূরণ করতে চায় সিটি।

সের রেডিওর এক সাংবাদিক অনুষ্ঠানে রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার সিটির মিডফিল্ডার রদ্রিকে ঘিরে ছড়ানো গুঞ্জনের জবাব দিয়েছেন।

এর আগে খবর এসেছিল, কয়েক মাস আগেই ম্যানচেস্টার সিটি রদ্রিকে চুক্তি নবায়নের প্রস্তাব দিয়েছিল, তবে পরে আলোচনা থমকে যায়। সাংবাদিক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ঠিকই, গত কয়েক মাস ধরে আমরা বিষয়টি অনুসরণ করছি। রদ্রি নিজেই আমাদের বলেছিলেন, বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার আগে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববেন না। এমনকি কয়েক মাস আগেই তিনি স্পষ্ট করেছিলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। তাঁর প্রথম লক্ষ্য ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে মৌসুমটি ভালোভাবে শেষ করা, এরপর সেরা অবস্থায় বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা।’
‘দ্বিতীয়ত, রদ্রির চুক্তি নবায়নে ম্যানচেস্টার সিটি সম্ভাব্য সবকিছু করবে। তিনি দলের অধিনায়ক এবং হলান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে সিটির প্রধান তারকা; তাঁকে ধরে রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। রদ্রির বর্তমান চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র ১ বছর থাকলেও সিটি অনেক দিন ধরেই নবায়নের চেষ্টা করছে। এর একটি কারণ কৌশলগত ব্যবস্থায় তাঁর কেন্দ্রীয় গুরুত্ব—সবাই দেখেছে, গার্দিওলার অধীনে রদ্রির হাঁটুর চোটের পর সিটির ফলাফল কীভাবে দ্রুত খারাপ হয়েছে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ হলো, সিটির অন্যদের তুলনায় রদ্রির বেতন খুব বেশি নয়।’
‘তাঁর সাপ্তাহিক বেতন প্রায় ২ লাখ ২০ হাজার পাউন্ড, যা হলান্ডের ৫ লাখ পাউন্ডের বেশি সাপ্তাহিক বেতনের ধারেকাছেও নয়। দলের বেতনকাঠামোর সপ্তম বা অষ্টম স্তরে গেলে রদ্রির সমপরিমাণ বেতন পাওয়া যায়। তাঁর বর্তমান পারিশ্রমিক প্রাপ্য মর্যাদার তুলনায় অনেক কম। সিটি এই ঘাটতি পূরণ করে তাঁকে তাঁর মূল্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ বেতনস্তরে উন্নীত করতে চায়।’
‘শেষ পর্যন্ত ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে রদ্রির চুক্তি নবায়ন অসম্ভব নয়। তিনি দলে থাকার ইচ্ছার ইঙ্গিত দিয়েছেন। স্পেনে ফেরাটা তাঁর স্বপ্ন—এমন কথাও আগে প্রকাশ করেছিলেন। তবে চুক্তির মেয়াদ আর মাত্র ১ বছর, অর্থাৎ ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত হওয়ায় নবায়ন সম্পন্ন হওয়া পুরোপুরি যৌক্তিক। রদ্রিকে তাঁর প্রাপ্য পারিশ্রমিক দেওয়াই সিটির উদ্দেশ্য।’
বাংলা তথ্য[0]
বাংলা তথ্য[0]